মেন্ডেলের প্রথম সূত্রের নাম ?
মেন্ডেলের প্রথম সূত্রের নাম ?
-
ক
পৃথকীকরণ সূত্র
-
খ
স্বাধীন বিন্যাসের সূত্র
-
গ
হোমোজাইগাস সূত্র
-
ঘ
হেটারোজাইগাস সূত্র
মেন্ডেল-এর সূত্র (Mendel's Law):
প্রকৃতপক্ষে মেন্ডেল নিজে কোনো মতবাদ প্রবর্তন করেননি। তিনি তাঁর গবেষণাপত্রে সংকরায়ন সংক্রান্ত পর্যবেক্ষণের তত্ত্বীয় ও পরিসংখ্যানিক ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে কার্ল করেন্স (যিনি ১৯০০ সালে মেন্ডেলের অনুরূপ গবেষণা-ফলাফল প্রকাশ করেছিলেন) মেন্ডেলের আবিষ্কারকে বংশগতির মৌলিক দুটি সূত্র হিসেবে উপস্থাপনের যোগ্য বলে প্রচার করেন । যেহেতু সূত্রদুটি মেন্ডেলের গবেষণার উপর ভিত্তি করে রচিত, তাই সূত্রদুটিকে মেন্ডেল-এর সূত্র নামে অভিহিত করা হয় । নিচে মেন্ডেল-এর সূত্র দুটি ব্যাখ্যা করা হলো।
মেন্ডেলের প্রথম সূত্র বা পৃথকীকরণ সূত্র (Law of Segregation) সূত্র : সংকর (hybrid) জীবে বিপরীত বৈশিষ্ট্যের ফ্যাক্টরগুলো (জিনগুলো) মিশ্রিত বা পরিবর্তিত না হয়ে পাশাপাশি অবস্থান করে এবং জননকোষ সৃষ্টির সময় পরস্পর থেকে পৃথক হয়ে যায়। জিনতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা : ধরা যাক, গিনিপিগে কালো বর্ণের জন্য দায়ী জিন = B এবং বাদামী বর্ণের জন্য দায়ী জিন= b; F1 জনু = প্রথম বংশধর; F2 জনু = দ্বিতীয় বংশধর ।
একটি হোমোজাইগাস বা বিশুদ্ধ কালো (BB) বর্ণের গিনিপিগের সাথে অপর একটি বিশুদ্ধ বাদামী (bb) বর্ণের গিনিপিগের সংকরায়ণ ঘটালে F, জনুতে সকল অপত্য গিনিপিগের বর্ণই হবে কালো (Bb) কারণ, কালো বর্ণের অ্যালিল (B) বাদামী বর্ণের অ্যালিল (b)-এর উপর প্রকট গুণসম্পন্ন। উভয় জিন দীর্ঘকাল একসঙ্গে থাকলেও বিনষ্ট বা একীভূত হয়ে যায় না বরং স্বকীয়তা বজায় রেখে অক্ষুন্ন থাকে।
F2 জনুতে উৎপন্ন অপত্য গিনিপিগের মধ্যে ৩টি কালো এবং ১টি বাদামী বর্ণের গিনিপিগের সৃষ্টি হয়, অর্থাৎ ফিনোটাইপের ভিত্তিতে F2 জনুতে গিনিপিগের কালো ও বাদামী বর্ণের অনুপাত হয় যথাক্রমে ৩:১
F2 জনুর সদস্যদের জিনোটাইপ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে ৩টি প্রকট বৈশিষ্ট্যধারী (কালো) গিনিপিগের মধ্যে মাত্র ১টি হোমোজাইগাস (BB), বাকি দুটি হেটারোজাইগাস (Bb)। যে প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্যটি (বাদামী) F জনুতে অবদমিত ছিল, F2 জনুতে তার পুনরাবির্ভাব ঘটেছে (bb)। অনুরূপভাবে, যে শুদ্ধ প্রকট বৈশিষ্ট্য (BB) F | জনুতে অনুপস্থিত ছিল, সেটিও F2 জনুতে ফিরে এসেছে। এ থেকেই প্রমাণ হয় যে প্রথম জনুতে B ও b একসঙ্গে থাকলেও পরস্পরের স্বকীয়তা বিনষ্ট হয়নি বরং গ্যামেট সৃষ্টির সময় পৃথক হয়ে গেছে।
মেন্ডেল-এর সূত্র (Mendel’s Law)
প্রথম সূত্র (Mendel’s First Law):
সংকর জীবে বিপরীত বৈশিষ্টের ফ্যাক্টরগুলো (জিনগুলো) মিশ্রিত বা পরিবর্তিত না হয়ে পাশাপাশি অবস্থান করে এবং জননকোষ (গ্যামেট) সৃষ্টির সময় পরস্পর থেকে পৃথক হয়ে ভিন্ন ভিন্ন জননকোষে প্রবেশ করে।
এ সূত্রকে মনোহাইব্রিড ক্রস সূত্র (Law of Monohybrid cross) বা জননকোষ শুদ্ধতার সূত্র (Law of Purity of gametes) বা পৃথকীকরণ সূত্র (Law of Segregation)-ও বলা হয়।
Related Question
View All-
ক
লাল সবুজ বর্ণান্ধতা
-
খ
থ্যালাসেমিয়া
-
গ
মাসকুলার ডিসট্রফি
-
ঘ
হিমোফিলিয়া
-
ক
৯ : ৭
-
খ
১ : ২ : ১
-
গ
১৩ : ৩
-
ঘ
৯ : ৩ : ৩ : ১
-
ক
ক্লটিং ফ্যাক্টর
-
খ
লিথাল জিন
-
গ
পলিজেনিক ইনহেরিট্যান্স
-
ঘ
রেসাস ফ্যাক্টর
-
ক
হাইপোস্ট্যাটিক জিন
-
খ
এপিস্ট্যাটিক জিন
-
গ
লিথাল জিন
-
ঘ
সেমিলিথাল জিন
-
ক
জীনোম
-
খ
অ্যালিলোমর্ফ
-
গ
জিনোটাই
-
ঘ
কোনটিই নয়
-
ক
বর্ণান্ধতা
-
খ
হিমোফিলিয়া
-
গ
খ্রিস্টমাস্ট
-
ঘ
মূক বধিরতা
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন